ফিনটেক সুপার অ্যাপ উন্মোচন করলো আমার পে
দেশের অন্যতম অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠান ‘আমার পে’ চালু করেছে ফিনটেক সুপার অ্যাপ ‘আমার পে সুপার অ্যাপ’। শনিবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনের বেসিস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আমার পে এ ঘোষণা দেয়।
অনুষ্ঠানে জনানো হয়, একের ভেতর সব সুবিধা নিয়ে গ্রাহকদের দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণ ও যেকোনো মাধ্যম দিয়ে (কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং) অর্থ দেওয়া পদ্ধতিকে সহজ করার জন্যই এ সুপার অ্যাপ নিয়ে এসেছে আমার পে। গ্রাহকদের স্বাস্থ্যসেবা, ই-পরিষেবা, খাবার অর্ডার ও বিল পরিশোধসহ বিভিন্ন সুবিধা দেবে এ সুপার অ্যাপ। এই অ্যাপ ব্যবহারকারীরা যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে সহজেই তাদের ইউটিলিটি বিল জমা দিতে পারেন, বুক করতে পারেন ভ্রমণের টিকিটও। এছাড়া আমার পে সুপার অ্যাপে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পে মার্চেন্ট পে, কুরিয়ার বুক, বিমা দেওয়া ও যানবাহন ট্র্যাকার সাবস্ক্রিপশনের মতো দৈনন্দিন জীবনের সুবিধাগুলো।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলেন, আমার পে সুপার অ্যাপ বাংলাদেশের মানুষের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে, যা আমাদের ও সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। অ্যাপটি বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্টের অভিজ্ঞতায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আমার পে-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম ইশতিয়াক সারওয়ার বলেন, এ সুপার অ্যাপের লক্ষ্য ব্যবহারকারীদের সুবিধাজনকভাবে সর্বত্র পেমেন্ট সমাধান দেওয়া, যা একাধিক অ্যাপের মধ্যে পরিবর্তন করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে। দেশব্যাপী গ্রাহকদের নানা ধরনের চাহিদা পূরণে আমার পে সুপার অ্যাপটি ডিজাইন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা গ্রাহকদের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় সব ধরনের সেবা দিচ্ছি। যেমন- বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিল, ইন্টারনেট বিল, ক্রেডিট কার্ড বিল, ট্রাভেল বুকিংসহ আরও অনেক কিছু। এছাড়া এ অ্যাপের মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, ডিসকাউন্ট ও রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাওয়ার সুবিধাও দেব এবং আমরা মনে করছি এক জায়গায় সবকিছু পাওয়ার সুবিধাটি গ্রাহকরা দারুণভাবে গ্রহণ করবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- আমার পে সুপার অ্যাপের সিটিও অ্যান্ড ডিরেক্টর ইমতিয়াজ বিন গিয়াস, প্রোডাক্ট ম্যানেজার আশিকুর রহমান, এমটিবির হেড অব ডিজিটাল ব্যাংকিং ডিভিশন খালিদ হোসেইন, মাস্টারকার্ড ম্যানেজার জুবায়ের হোসেন। তাদের সবার বক্তব্যে উঠে এসেছে আমার পে সুপার অ্যাপ কীভাবে বাংলাদেশের অন্যান্য ডিজিটাল সেবা দেওয়াকারীদের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগও সৃষ্টি করছে।







